Ticker

6/recent/ticker-posts

মোয়াবিয়া ও তার পক্ষই সাহাবায়ে কেরামের দুশমন পক্ষ

মোয়াবিয়া ও তার পক্ষই সাহাবায়ে কেরামের দুশমন পক্ষ

দয়াময় আল্লাহ তাআলা ও তাঁর প্রিয়তম হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রেমে সর্বাত্মক উৎসর্গীকৃত এবং প্রতিষ্ঠায় কোরবান মহান মকবুল সাহাবায়ে কেরামের প


বিত্র নূরানী জামায়াতের প্রতি শ্রদ্ধা ভালবাসা ঈমানী বিষয় এবং তাঁদের পবিত্র জামায়াতের প্রতি অগ্রদ্ধা তাঁদের পবিত্র জামায়াতের খেলাফ হওয়া কুফরি বিষয় তথা ইসলাম হারিয়ে ফেলা।

সে মহান পবিত্র জামায়াতের মূলে এবং সবার উর্ধে আছেন প্রাণপ্রিয় আহলে বায়েত ও মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন রাদিআল্লাহু আনহুম।

নুরে রেসালাত পবিত্র আহলে বায়েতের আনুগত্য অনুসরণ অন্য সাহাবায়ে কেরামের উপরও ঈমান দ্বীনের অংশ।
আর প্রাণপ্রিয় আহলে বায়েতের প্রতি দরূদ শরীফ ছাড়া নামাজই হবেনা।
পবিত্র আহলে বায়েত ও মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন এবং মকবুল সাহবাগণ স্বয়ং প্রিয়নবীর সরাসরি নূর তাজাল্লি প্রাপ্ত ও পবিত্র কলেমার প্রতিবিম্ব এবং দ্বীনের প্রতিষ্ঠান ও উম্মতের সবার জন্য আলোর কেন্দ্র।

কোরআনুল করীম ও হাদিস শরীফের নির্দেশের ভিত্তিতে পবিত্র আহলে বায়েত রাদিআল্লাহু আনহুম হকের মানদন্ড ও ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

পবিত্র আহলে বায়েত রাদিআল্লাহু আনহুমের প্রতি শ্রদ্ধা ভালোবাসা আল্লাহতাআলা ও তাঁর হাবীব প্রাণাধিক প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসার প্রতিফলন ও অবিচ্ছেদ্য অংশ।

পবিত্র আহলে বায়েত রাদিআল্লাহু আনহুমের বিরুদ্ধাচরণ ও শত্রুতা অবমাননা মাআবুদ আল্লাহতাআলা ও তাঁর হাবীব প্রাণাধিক প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরুদ্ধেই শত্রুতা এবং দ্বীনের মূল ধারার বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামান্তর।

পবিত্র আহলে বায়েত রাদিআল্লাহু আনহুমের দুশমন ইসলামের ধারক হকের সাহাবি দূরের কথা মুসলিমও হতে পারে না বরং ইসলামের ধ্বংসকারি শত্রু।

নবী রাসুল আলাইহিমুস সালামগণের নূরানী জামায়াতের পর সাহাবায়ে কেরামের মহান জামায়াতই আল্লাহ তাআলার সবচেয়ে নৈকট্য প্রাপ্ত।

মকবুল সাহবাগণ ব্যক্তিগতভাবেও তাঁরা প্রত্যেকেই অতুলনীয় উচ্চ পবিত্র আলোকময় চিরমহান এবং সত্যের ধারক ও দ্বীনের রক্ষক, যাঁদের শ্রদ্ধা ভালবাসাই আমাদের আত্মা আলোকিত হওয়ার উপায়।

কিন্তু কেউ পবিত্র আহলে বায়েত ও মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন রাদিআল্লাহু আনহুম ও সে মহান পবিত্র জামায়াতের খেলাফ হয়ে দ্বীনের বিপরীত কিছু করলে তা অনুসরণ যোগ্য হতে পারেনা এবং সত্যিকার কোনো সাহাবি তা করার প্রশ্নই আসেনা।

যে মহান আহলে বায়েতের অসিলা ছাড়া এবাদত পর্যন্ত কবুল হয়না আর তাঁদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে কেউ মকবুল হতে পারেনা, ইসলামের আদর্শ হতে পারেনা।

মহান সাহাবায়ে কেরামের পবিত্র জামায়াত আর তাঁদের নীতি আদর্শের বিপরীত বিচ্ছিন্ন কোন ব্যক্তি ও তার বিতর্কিত কাজ এক বিষয় নয়।

দ্বীনের প্রকৃত রূপরেখা রক্ষার জন্য সত্য ইতিহাস আলোচনা আর সমালোচনাও এক বিষয় নয়।

কোনো ব্যক্তির ভুল ও অন্যায়ের দায় যেমন মহান সাহাবায়ে কেরামের নামে চালিয়ে দেয়া চরম অন্যায় তেমনি তা ইসলামের নামে চালিয়ে দেয়াও ইসলামকে বিকৃত ও ধ্বংস করা।

সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে মহান সাহাবায়ে কেরাম ইসলাম ও তার খেলাফত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাঁরা ইসলাম ও খেলাফতের খেলাফতের রক্ষক, ভক্ষক আর রক্ষক এক নয়, প্রতিষ্ঠাকারী আর উৎখাতকারীও এক নয়, তাই প্রকৃত সাহাবায়ে কেরাম আর বিপরীত ব্যক্তিবর্গ তথা মোয়াবিয়া চক্র এক নয়।

হক ও বাতিল বিপরীত। হকের পক্ষ হলে বাতিলের পক্ষ নয়ে বিপক্ষ হতে হবে। হকের উৎখাতকারি মোয়াবিয়ার পক্ষ হয়ে হকের দাবি প্রতারণা। মোয়াবিয়ার পক্ষ মানেই হকের দুশমন পক্ষ।

মোয়াবিয়ার পক্ষ আর মহান মকবুল সাহাবায়ে কেরামের পক্ষ বিপরীত পক্ষ। মোয়াবিয়ার পক্ষ মানেই সাহাবায়ে কেরামের বিরুদ্ধাচরণ।

হকের দুশমন খারেজি কুফরি চক্র মোয়াবিয়ার কুফর খুন জুলুম মুলুকিয়তের প্রতিবাদকে সাহাবি বিরোধীতা হিসেবে অপপ্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

প্রকৃতপক্ষে মোয়াবিয়ার পক্ষ হওয়াই তাওহীদ রেসালাত আহলে বায়েত খোলাফায়ে রাশেদীন ও মকবুল সাহাবায়ে কেরামের বিপক্ষ হওয়ার মাধ্যমে ঈমান দ্বীন খেলাফতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শরিক হওয়া।

মহানমকবুল সাহাবায়ে কেরাম ত্যাগ ও উৎসর্গের বাস্তব মহা আদর্শ এবং সর্বোচ্চ মহা গুনাবলীর চির উজ্জল অতুলনীয় ধারক।

লোভ-অসততাড় ওয়াদাভংগ-শঠতা এবং দ্বীন মিল্লাত মানবতার ক্ষতিকর কাজ তাঁদের দ্বারা হতেই পারেনা আর কারো মধ্যে এসব থাকলে তিনি সাহাবায়ে কেরামের আদর্শের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অনুসরণের অযোগ্য। সব কিছুরই তদনুরূপ বৈশিষ্ট্য আছে যার বিপরীত হলে শব্দ অসার হয়ে যায়।

মহিমান্বিত সাহাবিয়াত মহত্ত্বের পরম নিদর্শন, নিছক শব্দ নয়, যে বৈশিষ্ট্য- গুনাবলী-মহত্ত্বের ব্যতিক্রম হলে শব্দও প্রশ্নসাপেক্ষ হয়ে যায়, দিশারী আদর্শ- দলিল হিসেবে যাকে গ্রহণ করা যায়না তাকে নিয়ে উম্মাদনা বাড়াবাড়ি বিভক্তি ধ্বংসাত্মক ক্ষতিকর।

বিশেষভাবে হকের ধারার বিরুদ্ধ বিপরীত এহেন ব্যক্তিকে ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাতের আদর্শ মাপকাঠি হিসেবে চালিয়ে দেয়া ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতকে ধ্বংস করে হকের বিপরীত বাতিল বস্তুবাদি মুলুকিয়তি ধারাকে আহলে সুন্নাতের নামে প্রতিষ্ঠা করার চক্রান্ত, যা প্রতিহত করা ইসলামের মূল ধারার অস্তিত্বের প্রশ্ন।

বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতকে মোয়াবিয়াবাদি খারেজি কুফরিয়াতের ধারার গ্রাস থেকে উদ্ধারের জন্য মোয়াবিয়া ও মোয়াবিয়াবাদ সম্পর্কে সত্য তুলে ধরেছে যা ঈমান দ্বীন খেলাফতের ধারার অস্তিত্ব রক্ষায় অপরিহার্য।

আহলে সুন্নাতের মুখোশধারী একটা শয়তানি চক্র ঈমান দ্বীনের প্রাণ পবিত্র আহলে বায়েত ও খেলাফতের ধারার বিপরীতে হকের দুশমন মোয়াবিয়া মুলুকিয়তের ধারাকে আহলে সুন্নাতের নামে চালিয়ে দিয়ে আহলে সুন্নাতের আসল ধারাকে প্রায় বিলুপ্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

হকের দুশমন মোয়াবিয়াপন্থী খারেজিচক্র ঈমানের ধারা আহলে সুন্নাতের সংজ্ঞা পর্যন্ত পরিবর্তন করে দিয়ে বিপরীত কুফরি সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠিত করেছে।

মোয়াবিয়া মুলুকিয়তের ধারাকে আহলে সুন্নাত এবং মোয়াবিয়া এজিদ চক্রের কুফর খুন জুলুম মুলুকিয়তের প্রতিবাদকে বাতিল শিয়াবাদ অপবাদ দিয়ে এসব খারেজি চক্র পবিত্র আহলে বায়েত এবং মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন ও মকবুল সাহাবায়ে কেরামের বিপরীতে তাঁদের দুশমন মোয়াবিয়াচক্রকেই আহলে সুন্নাতের কেবলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে আহলে সুন্নাতের অস্তিত্ব ধ্বংস করে দিয়েছে।

দ্বীনের আসল রূপরেখা ও বিকৃতির আলোচনা ইতিহাস হিসেবে আসবেই, সত্য গোপন রেখে মিথ্যাকে সত্যের নামে চালিয়ে দেয়ার চক্রান্ত অবশ্যই ব্যর্থ করে দিয়ে সত্যের ধারা বাঁচিয়ে রাখা আমরা সব মুমিনের ঈমানের অংগীকার।

অবশ্যই ব্যক্তির উর্ধে দ্বীন, ব্যক্তির স্বার্থে অন্যায়কে ন্যায়, অবৈধকে বৈধ, অধর্মকে ধর্ম, অবিচারকে সুবিচার, হারামকে হালাল, দস্যুতাকে খেদমত, পাপকে পূণ্য এভাবে সব ভ্রষ্টতাকে সুপথ হিসেবে চালিয়ে দিলে হকের ধারা এবং নিজের অস্তিত্ব কোনটাই থাকেনা।

খেলাফত উৎখাতের কুপরিণতি ও কুফল মিল্লাত ও মানবতা এখনও পাচ্ছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত পাবে, আর এ চির ধ্বংসাত্মক মহাবিপর্যয়ের পিছনে যার বা যাদের দায় আছে তাদের অবশ্যই দুনিয়া ও আখেরাতে হিসাবে আসতে হবে। সত্য ও মানবতার মুক্তিসূর্যের উদয়স্হল খোদ কেবলাভূমি আল আরব আজ ফেরাউনি এজিদি অভিশপ্ত কুফরি মুলুকিয়তের ধারায় সৌদি গোত্রবাদি ওহাবিবাদি স্বৈরদস্যুতন্ত্রের অবৈধ জবরদখলে, ফলে দ্বীন মিল্লাত মানবতা আজ জঘন্যভাবে অবরুদ্ধ।

ঈমান ও দ্বীনের চরম শত্রু ও মিল্লাতের সকল দুর্দশার কারণ বাতিল জালিম এ অপশক্তি মহান আহলে বায়েত ও মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন ও মকবুল সাহাবায়ে কেরামের প্রতি চরম বিদ্বেষ পোষণ ও তাঁদের পবিত্র মাজার শরীফ সমুহ ধ্বংস করে দিলেও শুধুমাত্র মুলুকিয়তের প্রতিষ্ঠাতার খুবই মোহাব্বত দেখায়, কারণ তাদের অবৈধ মুলুকিয়তের দলিল হিসেবে ইসলামের বিরুদ্ধে এটা তাদের দরকার।

অবৈধের জন্য অবৈধতাই উৎস ও দলিল। ঈমান দ্বীনের আসল ধারা রূপরেখা রক্ষার সার্থে মোয়াবিয়ার কাজ সমর্থন করার উপায় নেই আর করলে ঈমানী অস্তিত্ব ও দ্বীনে হকের আসল ধারার অস্তিত্বই থাকেনা। তাকে সমর্থন করলে খোলাফায়ে রাশেদীনের বিরূদ্ধে যুদ্ধ, কলেমার রাষ্ট্রকাঠামো খেলাফত উৎখাত করে অবৈধ মুলুকিয়ত কায়েম, মহান সাহাবায়ে কেরামকে হত্যা, ইমামে আকবার হজরত ইমাম হাসান রাদিআল্লাহু আনহুর সাথে চুক্তিভঙ্গ- ওয়াদা খেলাফ-বিশ্বাসঘাতকতা, অভিশপ্ত কাফের এজিদকে অন্যায় অবৈধভাবে ক্ষমতা দিয়ে ইমামে আকবার হজরত ইমাম হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহুর হত্যার পথ করা তথা কলেমার ধারা উৎখাত ও ইসলামকে উৎখাতকেই সমর্থন করা হয় যা ঈমান থাকলে সম্ভব নয়।

সত্য ও সত্যের ইতিহাস তুলে ধরা এবং সত্যের মুখোশে চলমান মিথ্যা ও থোকা থেকে দ্বীন মিল্লাত মানবতাকে রক্ষার চেষ্টা ঈমানী কর্তব্য। ওয়ার্ল্ড সুন্নী মুভমেন্ট: বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ঈমান ও ও দ্বীনের সব বিষয়েই সঠিক ও ভুল ধারা দুটোই সুস্পষ্ট ভাবে অবশ্যই তুলে ধরে দ্বীনের আসল ধারা রক্ষা ও এগিয়ে নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন পবিত্র কলেমার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পবিত্র আহলে বায়েত- মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন-মহামহিম উম্মাহাতুল মুমিনিন- মহান মকবুল সাহাবায়ে কেরাম- সত্যের ইমামবৃন্দ- শোহাদায়ে কেরাম- আওলিয়া কেরামের আমানত ও সংগঠন হিসেবে বিপন্ন দ্বীন- মিল্লাত- মানবতার পূণরুদ্বার ও মুক্তি সাধনায় আত্মত্মা ও জীবনের সর্বস্তরে পূর্ণাঙ্গ ধারায় কর্তব্য পালন করে যাচ্ছে যেখানে জীবনের রাষ্ট্রীয় অধ্যায় কেবলমাত্র খেলাফতে ইনসানিয়াত, মুলুকিয়ত বা একক গোষ্ঠীর স্বৈরদস্যুতন্ত্র নয়।
আর মুলুকিয়তের উৎস নাস্তিক্য উদ্বৃত বস্তুবাদ।

খেলাফতে ইনসানিয়াত স্বৈরদস্যুতন্ত্র নয়।

খেলাফতের উৎস পবিত্র কলেমা কলেমার রাষ্ট্রকাঠামো আর মুলুকিয়ত কুফর জুলুম পাশবতা বর্বরতা পরাধীনতা দস্যুতার অবৈধ কাঠামো তথা ফেরাউন নমরূদ আবুজেহেল এজিদের ধারা।

মুলুকিয়ত মানেই সত্য ও মানবতার বিরূদ্ধে যুদ্ধ। মুলুকিয়ত মানেই মিথ্যা ও জুলুমের সার্বভৌমত্ব।

খেলাফত ও মুলুকিয়ত এ দুই বিপরীত ধারার সাথে মানব জীবনের দোজাহানের লাভ ক্ষতি প্রত্যক্ষ জড়িত।

দুই দুই ধারাই চিনতে ও বুঝতে হবে হবে এবং স্বাভাবিক ভাবেই আলোচনা বিশ্লেষণে উভয় ধারার উৎস ও ধারক বাহক রক্ষকদের আলোচনা পরিচয় ইতিহাস কার্যাবলী অনিবার্যরূপে আসবে।

খেলাফতের ধারক রক্ষকগণ সত্য ন্যায় কল্যাণ স্বাধীনতা অধিকারের রক্ষক হিসেবে জীবন ও মানবতার বন্ধু এবং অপরদিকে মুলুকিয়ত বা একক গোষ্ঠীর স্বৈরদস্যুতন্ত্রের ধারকগণ জীবন ও মানবতার শত্রু।

শুধু মুমিন নয়, মানুষ মাত্রই খেলাফতে ইনসানিয়াতের পক্ষে এবং মুলুকিয়তের বিপক্ষে থাকতে হবে, নাহয় তার ঈমানী সত্ত্বা ও মানবসত্ত্বা কোনটাই থাকেনা, বিপরীত হয়ে যায়।

মুলুকিয়তের বিরোধিতা এবং কলেমার রূপরেখা খেলাফতে ইনসানিয়াত প্রতিষ্ঠার সাধনাই সাহাবায়ে কেরামের আদর্শ এবং তা কেউ সাহাবি বিরোধী মনে করলে সে কলেমা দ্বীন সম্পর্কে শুধু অজ্ঞ নয় শত্রু।

কলেমা- দ্বীন- খেলাফত ও মকবুল সাহাবায়ে কেরাম অবিচ্ছেদ্য একাকার, মুলুকিয়ত দস্যুতন্ত্রের ধারক ও সমর্থকগনই মহান সাহাবায়ে কেরাম তথা সত্য ও মানবতার শত্রু।

হক ও বাতিলের মধ্যবর্তী কোন বিভ্রান্তিকর মোনাফেকি অর্ধসত্য পথ নেই, হয় হক নাহয় বাতিল, হয় খেলাফত যার বিপরীত মুলুকিয়ত, হয় বিয়ে নাহয় জবরদস্তি অনাচার।

একই সাথে বিপরীত সবকিছু জিন্দাবাদ রাদি আনহু বলা হলে অস্তিত্ব থাকেনা কেবল মিথ্যা অনাচারই বেঁচে থাকে আর জীবন তারই অংশ হয়ে যায়।

দোজাহানে মানবতার মুক্তির জন্য দুনিয়ায় প্রাণাধিক প্রিয়নবীর শুভাগমন মহান ঈদে আজমের দান ও লক্ষ্যের ধারা প্রবাহমান রাখার সাধনায় অপশক্তির সব বিভ্রান্তি ও চক্রান্ত নস্যাৎ করে দ্বীন ও জীবনের সবদিকে হক ও বাতিল সুস্পষ্ট রাখা আমাদের সবার ঈমানী অংগীকার তথা মহান শাহাদাতে কারবালার আমানত যার খেয়ানত হলে ঈমানী অস্তিত্ব থাকেনা বরং বিপরীত সত্ত্বা তৈরি হয়। নাউজুবিল্লাহ।

জীবন কেবলই মাআবুদের উদ্দেশ্যে কেবল প্রাণাধিক প্রিয়নবীর জন্য, অতএব ভালবাসা বা বৈরিতা সে খাতিরেই তথা কলেমা বা সত্য- মিথ্যা, ন্যায়- অন্যায়, কল্যাণ- অকল্যাণের

চিরন্তন ধারার ভিত্তিতেই হতে হবে।
ধন্যবাদ ওয়াস সালাম।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা- বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ