আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াত উনি কে? উনাকে কেন অনুসরণ করতে হবে? ধর্ম ও বিশ্ববাসীর প্রতি উনার অবদান কি? - মাঈনুদ্দীন টিটু
আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াত উনি কে?
উনাকে কেন অনুসরণ করতে হবে?
ধর্ম ও বিশ্ববাসীর প্রতি উনার অবদান কি?
দুনিয়ায় "আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াত" মানে বদর-ওহোদ-সিফফিন-কারবালার আলোকধারা বহনকারী তরী ও তাওহীদ ভিত্তিক রেসালাত কেন্দ্রিক জীবন চেতনায় আত্মা জীবন ও জগত গড়ার দিশার (সর্ব বাতিল বিরোধী) বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান।
মুসলিম মিল্লাতের এই মহান ইমাম "আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াত"ই নাস্তিকতা হতে উদ্ভুত বস্তুবাদী জাতীয়তা বর্জন করে কলেমা কেন্দ্রিক ঈমানী জাতীয়তা "মুসলিম জাতীয়তায়" সকল মুসলিম ভাইবোনকে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।
বস্তুবাদী মতবাদের ও ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী অপরাজনীতির সৃষ্ট আত্মা-জীবন ও মানবতা বিধ্বংসী মুলুকিয়তের বিরুদ্ধে চির আপোষহীন সংগ্রামের ধারক এই মহান ইমাম যিনি কলেমার অঙ্গীকারে (সিফফিন কারবালার যুদ্ধের মাধ্যমে মোয়াবিয়া এজিদ কর্তৃক বিলুপ্ত) খেলাফতে ইসলাম খেলাফতে ইনসানিয়াত পুনঃ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল সত্য ও মানবতায় বিশ্বাসী সব মানবিক চেতনা সম্পন্ন মানুষ ও তাওহীদ রেসালাতের প্রেমে উৎসর্গকৃত আহলে বায়েতের গোলাম মুসলিম ভাইবোনদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানাচ্ছেন। এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই বাস্তব ফিল্ডে কার্যকরী পথ ও পদ্ধতির প্লাটফর্ম বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব দান করেছেন।
যিনি ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতকে মোয়াবিয়াবাদি এজিদবাদি মোনাফেক চক্রের কতৃত্ব আধিপত্য থেকে মুক্ত করেছেন।
ইসলামের নামে অরাজনৈতিক গন্ডিতে আবদ্ধ থাকা ও ভ্রান্ত রাজনীতির দালালি সমর্থন করা থেকে সুন্নী মিল্লাতকে ফিরিয়ে এনে কারবালার আমানত রক্ষার সংগ্রামে যুক্ত করেছেন। একইলক্ষ্যে পবিত্র কলেমার অঙ্গীকারের ভিত্তিতে খেলাফতে ইনসানিয়াত এর দিশায় মানবতার রাজনীতির মাধ্যমে মানবতার রাষ্ট্র বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ার মহাবিপ্লবী দিশায় যুক্ত করেছেন।
ইসলাম পূর্ণাঙ্গ তথা আকিদা-আধ্যাতিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-মানবিক সকল দিকে বোনভাই সবাইকে নিয়ে ইসলাম এই ঘোষণা সবাইকে স্বরণ করিয়ে দিয়ে
ইসলামের নির্দেশিত আত্মা-জীবন-মানবতা-মৌলিক মানবাধিকারের সার্বজনীন জীবন ও জগতের কাঠামো খেলাফত তা সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।
যিনি ঈমানী আকিদার সুস্পষ্ট দিশা তুলে ধরেছেন যে, প্রাণাধিক প্রিয়নবী আল্লাহর জাতে পাকের নূর ও প্রাণের আহলে বায়েত প্রিয়নবীর নূর।
আহলে বায়েতের গোলামীই ঈমান দ্বীন সুন্নীয়তের প্রাণ এবং আহলে বায়েতের শত্রুতা দুশমনি কুফরি।
যিনি ইসলামের নামে বিভিন্ন বাতেল ফেরকা ওয়াবি মওদুদি শিয়া খারেজি কাদিয়ানি সালাফি বাতিল মতবাদকে যেমন চিহ্নিত করে সুন্নীদেরকে সব বাতেলের বিরুদ্ধে তাদের অপরাজনীতির ধ্বংসাত্মক পথ থেকে সরে এসে নিজস্ব নির্ভেজাল চিরন্তন খেলাফতে ইনসানিয়াতে ফিরে আসার দিশা তুলে ধরেছেন,
ঠিক তেমনিভাবে ইসলামের বেনামে জীবনের স্রষ্টা ও মানবতার দাতা প্রাণের রাসুল স্রষ্টার রেসালাত বিরোধী
বস্তুবাদী জাতীয়তাবাদী মুশরেকি মতবাদ এবং তাদের জাতীয়তাবাদী অপরাজনীতি থেকেও মুক্ত হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
খেলাফত সত্য মুলুকিয়্ত মিথ্যা কুফর খেলাফত হক মুলুকিয়ত বাতেল।
বিশ্ব ব্যাপী সকল মুসলিমদের ঈমানী চেতনা আদর্শে ঐকবদ্ধ করতে
তিনি ১০ই মহররমকে বাতিল শিয়াবাদি বিকৃত কায়দায় পালন ও তাদের ভূয়া প্রদর্শনীকে ইসলাম পরিপন্থী ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি এই ১০ই মহররমকে "
❤️মুসলিম মিল্লাতের মহান ঈমানী জাতীয় শহীদ দিবস"
❤️সমগ্র মানবতার মুক্তির শাহাদাত দিবস
❤️শাহাদাতে কারবালা দিবস"ঘোষণা করেছেন এবং ইহাকে নিছক আশুরা হিসেবে নয় "জাতীয় শহীদ দিবস" হিসেবে পালন করারই আহবান জানাচ্ছেন।
এভাবে শত নয় হাজার পয়েন্টে আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াত সত্য ও ন্যায়ের ধারার স্বার্থে সব মানুষের জীবন ও মানবতার মুক্তির তরে বিশ্বব্যাপী ঈমান ও মানবতার চেতনায় সকল মানবিক মানুষ ও মুমিন ভাইবোনকে বিশ্ব বিপ্লবের ডাক দিয়েছেন।
১৯৩২ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর থেকে আজ প্রায় ৯২ বছর হয়ে গেছে পবিত্র কেবলাভূমি আল আরব জবরদখল হয়ে আছে বিনা বাধায় দুনিয়ার কোথাও কোন প্রতিবাদ নেই একমাত্র আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াত কতৃক ঘোষিত আধাঁর দিবসের কর্মসূচি ছাড়া।
ইহুদি দাস কুখ্যাত সৌদি ওয়াবি নাপাকি গোত্রবাদিরা এই পবিত্র আল আরব এর নাম পরিবর্তন করে নিজেদের গোত্রের নামে সৌদি আরব নামকরণ করে ফেলেছে নাউজুবিল্লাহ! এবং ইসলামের খেলাফতের ধারা বিলুপ্ত করে মোয়াবিয়াবাদি এজিদবাদি কায়দায় নাপাকি সৌদি ওয়াবি গোত্রবাদি স্বৈরতা মুলুকিয়ত প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে।
যাদের প্রত্যক্ষ মদদেই প্রকাশ্যে মুসলিম নিধন চলছে সারা বিশ্বে বস্তুবাদী জাতিয়তাগত বিভেদ বৈষম্যের যুদ্ধের মাধ্যমে।
একমাত্র আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াতই আল আরব জবরদখল থেকে উদ্ধার মুক্তির কর্মসূচি হাতে নিলেন ২৩শে সেপ্টেম্বরকে আধাঁর দিবস কর্মসূচি পালন এর মাধ্যমে।
আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াতই বললেন বাতেল ওয়াবি গোত্রবাদিদের বিজয় সুন্নীদের বিজয় নয় বরং ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকিদার সম্পুর্ন বিপরীতে অবস্থিত বর্তমান সৌদি ওয়াবি নাপাকি গোত্রবাদিরা।
তাই নাপাকি গোত্রবাদি সৌদি আরব নয় পবিত্র কেবলাভূমিকে আল আরব বলুন।
আল আরব-গাজা ফিলিস্তিন-আরাকান -চীন -ইয়েমেন- আফগানিস্তান- ইন্ডিয়া সহ সর্বত্র চলমান সকল যুদ্ধ খুন জুলুম পাশবতা বর্বরতা সংঘাতের ধ্বংসাত্মক আধাঁর বিভীষিকা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় খেলাফতে ইনসানিয়াত তথা মানবতার রাজনীতির মাধ্যমে একক গোষ্ঠীর স্বৈরতা একক ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রতা পরিহার করে সর্বজনীন মানবতার রাষ্ট্র মানবতার দুনিয়া গড়ে তোলা।
আজ বিশ্বের প্রতিটি মানবিক সব মানুষ মুক্তি চাইছে কিন্তু পথ কি পদ্ধতি কি জানেনা।
তাই ইমাম হায়াতই দিশা তুলে ধরেছেন যে,
সর্ব মিথ্যার উৎস বস্তুবাদ তথা বস্তুবাদী জাতীয়তাবাদী চেতনা থেকে আত্মার মুক্তি এবং জাতি রাষ্ট্রের নামে জাতীয়তাবাদী অপরাজনীতি ও জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বর্ডারের কাটা তারের মরণফাঁদে অবরুদ্ধ জীবন ও মানবতার বিধ্বংসী কারাগার কসাইখানা থেকে জীবনের স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার জন্য প্রচলিত অন্য কোন রাজনীতিই উপযুক্ত নয় কেবল মানবতার রাজনীতি মানবতার রাষ্ট্র বিশ্ব ব্যবস্থা খেলাফতে ইনসানিয়াত ছাড়া।
এভাবে যিনি আত্মা-সত্তা,জাত-জাতীয়তা,জীবন-জগত ও জীবন জগতের উপর সত্য ও মানবতার আপনদের দায়িত্ব কর্তব্য নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির দিশা তুলে ধরেছেন তিনিই আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াত আলাইহে রাহমা।
একমাত্র বস্তুর উর্ধে মানব সত্তা ও মানবতার রাজনীতির প্রবক্তা আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াতই
নাস্তিক্য উদ্ভূত বস্তুবাদী নাস্তিকতার চেতনা থেকে মানবাত্মা মানবসত্তা মানবজাতি, মুসলিম জাতির জাতীয়তা রক্ষার দিশা তুলে ধরেছেন,
যিনি কলেমা কেন্দ্রিক ঈমানী মুসলিম জাতীয়তা ফিরিয়ে এনে মুসলিম জাতির জাতীয় শহীদ দিবসের শিক্ষা চেতনা লক্ষ্য উদ্দেশ্য তুলে ধরেছেন,
যিনি ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতকে মোয়াবিয়াবাদি এজিদবাদি মোনাফেকি ধারা থেকে রক্ষার দিশা দিয়ে আহলে বায়েতের গোলামী কেন্দ্রিক আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন,
যিনি অরাজনৈতিক হওয়া বা ভ্রান্ত রাজনীতির দাসত্ব থেকে মুক্তির আহবান করছেন,
যিনি ইসলামে ভাইবোন সবার সমান ঈমানী দায়িত্ব অবদানের আদর্শ সমুন্নত রাখার জন্য আত্মিক রাজনৈতিক উভয় দিকে কাজের দিশা তুলে ধরেছেন,
যিনি শানে রেসালাতের প্রতি প্রানের আহলে বায়েতের প্রতি ঈমানী আকিদার সুস্পষ্ট দিশা তুলে ধরেছেন,
যিনি বিশ্ব ব্যাপী চলমান সকল সংকট থেকে সব মানুষের কল্যাণে সব রাষ্ট্র ও বিশ্ব সম্পদের সুরক্ষায় মানবতার দুনিয়া গড়ার মহাবিপ্লবী দিশা তুলে ধরেছেন সেই মহান ইমাম আল্লামা সৈয়দ ইমাম হায়াতকে তো মানুষ ও মুসলিম হিসেবে মানতেই হবে।
জেনে-বুঝে না মানলেত মানুষ ও মুসলিম হিসেবে প্রমাণিত হয়না।
---মাঈনুদ্দিন টিটু
ওয়ার্ল্ড সুন্নী মুভমেন্ট
ওয়ার্ল্ড হিউম্যানিটি রেভুলোশন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks For You Comment