পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

-"আল্লামা রায়হান রাহবর" এর ওপেন চ্যালেঞ্জ - আমি চ্যালেঞ্জ করছি ইমাম হায়াত আলাইহি রাহমা ছাড়া এ যুগে আপনি হকের নির্ভেজাল ও পূর্ণাঙ্গ দিশা কোথাও পাবেন না - পেলে দেখান?

ছবি
আপনি হক তথা সুন্নীয়তকে ভালোবাসতে পারেন কিন্তু  আমি চ্যালেঞ্জ করছি ইমাম হায়াত আলাইহি রাহমা ছাড়া এ যুগে আপনি হকের নির্ভেজাল ও পূর্ণাঙ্গ দিশা কোথাও পাবেন না - পেলে দেখান ! আপনি বাতিলকে ঘৃনা করতে পারেন কিন্তু আমি চ্যালেঞ্জ করছি ইমাম হায়াত আলাইহি রাহমা ছাড়া এ যুগে আপনি সব বাতিল থেকে মুক্ত হতে পারবেন না - পারলে সব বাতিল ব্যাখ্যা করুন এবং প্রমাণ করুন যে আপনি মুক্ত ! এমনকি সব বাতিল চিনতেও পারবেন না, এক বাতিল চিনলে আরেক বাতিলের দোসর হয়ে যাবেন, সুন্নীয়তের চিরন্তন পবিত্র ধারা আর ভূয়া ধারা পার্থক্য করতে পারবেন না বরং ভূয়া ভেজাল ধারায় ধোকায় ডুবে থাকবেন। সুন্নী রাজনীতি কল্পনাও করতে পারবেন না, হয় ইসলামী রাষ্ট্রের নামে খারেজি-সালাফি-ওহাবি-শিয়াবাদি বাতিল ফেরকার অপরাজনীতি না হয় জাতীয়তাবাদের নামে বস্তবাদি মতবাদের অপরাজনীতিরই অংগ হয়ে থাকবেন। ইমাম হায়াত আলাইহি রাহমা ছাড়া বস্তবাদি মতবাদের বিরুদ্ধে দুনিয়ায় আর কোনো প্রতিরোধ ও উদ্ধারের কন্ঠ নেই- এমনকি ইমাম হায়াত আলাইহি রাহমা ছাড়া এ যুগে বস্তবাদি মতবাদের ব্যাখ্যাও কেউ দিতে পারেন নি। অভিজ্ঞ দক্ষ চিকিৎসক ছাড়া যেমন ক্যানসার মুক্ত হওয়া যায় না তেমনি  ই

শ্রীলঙ্কার নির্যাতিত মানুষ ইনসানিয়াত বিপ্লবের মাধ্যমে মুক্তির পথ খুজছে-শ্রীলংকায় গির্জা এবং হোটেলে হামলায় শতাধিক মানুষকে নৃশংস মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে হাজারো শ্রীলঙ্কান নাগরিকদের গণজমায়েত

ছবি
শ্রীলঙ্কার নির্যাতিত মানুষ ইনসানিয়াত বিপ্লবের মাধ্যমে মুক্তির পথ খুজছে- ফ্রান্সের প্যারিসে বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব, ফ্রান্স শাখার উদ্যোগেঃ বস্তুর উর্ধ্বে মানবসত্তার প্রবক্তা ও বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবর্তক #আল্লামা_ইমাম_হায়াত এর নির্দেশনায়ঃ খুনী জংগিবাদি সন্ত্রাসী উগ্রবাদি গোষ্ঠী কর্তৃক শ্রীলংকায় গির্জা এবং হোটেলে হামলায় শতাধিক মানুষকে নৃশংস মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে হাজারো শ্রীলঙ্কান নাগরিকদের গণজমায়েত।  উপস্থিত আছেন বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব, ফ্রান্স শাখার সম্মানিত নেতৃবৃন্দ।

কোথায় মানবতা ? কোথায় মানবাধিকার ? কোথায় মানুষের জীবনের স্বাধীনতা , অধিকার ,ভাতৃত্ববোধ ? -এইচ এম ইকবাল চিশতী

ছবি
কোথায় মানবতা ? কোথায় মানবাধিকার ? কোথায় মানুষের  জীবনের স্বাধীনতা , অধিকার ,ভাতৃত্ববোধ ? সবকিছু আজ মানুষরূপী অমানুষদের বিষাক্ত করাল থাবায় মুমুর্ষ অবস্থায় আর্তনাদ করছে। চারিদিকে শুধু  বস্তুবাদের মরীচিকা আর মরীচিকা ।কোথাও বস্তুবাদ  জাতীয়তাবাদের নামে বর্ডার তৈরী করে মানুষকে আবদ্ধ করে রেখে শোষণ করছে নির্বিবাদে। কোথাও ধর্মের নামে অধর্মের গোষ্ঠীবাদী অপরাজনীতি মানুষকে নির্যাতনের যাঁতাকলে পিষে যাচ্ছে অনবরত। কোথাও আবার সমাজতন্ত্রের  নামে মানুষের জীবনকে আবদ্ধ করে  দিচ্ছে গন্ডির ভেতর  রোবটের ন্যায় । জীবনের মুক্ত প্রবাহ, জীবন নিয়ে ভাবনার অবকাশ পাচ্ছে না মানুষ। রাষ্ট্র যা বলবে মানুষ তাই করবে।  আজ সাম্রাজ্যবাদ, মুলকিয়াতের নিষ্পেষণে মানুষ দিশেহারা । সমস্ত পৃথিবীর সম্পদ মাত্র মুষ্টিমেয় কিছু মানুষরূপী পশু দখল করে রেখেছে। মানুষ ও মানব সভ্যতাকে দাস বানিয়ে তারা ভোগ করে যাচ্ছে অবিরাম। আল্লাহর দান মানুষের জীবনের উপর কর্তৃত্ব করে যাচ্ছে কৌশলে। অপরের সম্পদ লুন্ঠন ও দখলের প্রতিযোগিতায় চাপিয়ে দিচ্ছে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ধ্বংস হচ্ছে সভ্যতা,মানবতার চরম বিপর্যয় ঘটে যাচ্ছে একের পর এক। বলির শিকার হচ

আমার কাছে ইমাম হায়াত কে? আমি কেন উনাকে অনুসরণ করি? একটু জেনে নিন?

ছবি
প্রশ্নঃ আমার কাছে ইমাম হায়াত কে? আমি কেন উনাকে অনুসরণ করি? উত্তর: নিচের আয়াতগুলো লক্ষ্য করুনঃ ১। "হে মুমিনগন,তোমারা অনুসরণ কর আল্লাহতালার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে এবং তোমাদের মধ্যে যারা ধর্মীয় ইমাম বা নেতা।" (সূরা নিসা, আয়াত শরীফ :৫৯) #কারন_১: এই আয়াত অনুযায়ী, আমার ইমাম, ইমাম হায়াত।।। ২।" স্বরণ কর সেই দিনকে যেদিন আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাদের ইমামসহ আহবান করব।" (বনী ইসরাইল, আয়াত শরীফ :৭১) #কারন_২ :  আমি মনে করি সেইদিনে আমার ইমাম হবেন সত্যের ইমাম। ৩। "যে ব্যাক্তি যুগের ইমামকে না চিনে ও আনুগত্য না করে মৃত্যু বরণ করবে সে জাহিলিয়াত অথাৎ মিথ্যার মধ্যে মৃত্যুবরণ করবে।" (সহীহ মুসলিম শরীফ, কিতাবুল ইমারহ হাদিস শরীফ নং ৪৮০৯,শারাহুল মাকাসিদ শরীফ ৫ম খন্ড পৃষ্ঠা নং ২৩৯) #কারন_৩: আমি ইমাম হায়াতকে যুগের ইমাম মনে করি, তাই তাঁকে চিনেছি ও আনুগত্য করি। ৪।" হে মুমিনগণ, তোমারা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হয়ে যাও।" (সূরা তওবা আয়াত শরীফ নং: ১১৯) #কারণ_৪: মহান ইমাম, যুগের ইমাম, ইমাম হায়াতের দিশায় আমি সর্ব বাতেল কে চিনেছি,

শরিয়ত সম্মত পর্দা অবশ্যই ভালো কিন্তু অতিপর্দা পর্দাহীনতার চেয়েও ইসলামের জন্য ক্ষতিকর এবং জীবনের জন্য ক্ষতিকর -"আল্লামা ইমাম হায়াত"

ছবি
হিজাব ভালো তাই বলে এটাকেই ইসলাম বা মুসলিম হওয়ার মূল মনে করা তথা ইসলাম বা মুসলিমত্ব বাহ্যিক পোষাক সর্বস্ব মনে করা ইসলামের জন্য  মারাত্মক ধ্বংসাত্মক এবং  ইসলামের আকিদা ঈমান ও আসল মৌলিক দিকগুলো ও জীবনের সত্য অস্বীকার জঘন্য ভ্রষ্টতা  হয়ে যায় ।  হিজাব না থাকলেও শরিয়ত সম্মত পোষাক থাকলে শরিয়ত পালন হয়ে যায় এবং হিজাব থাকলেও যদি ঈমান আকিদা ঠিক না থাকে কিম্বা ঈমানের বিপরীত কোনো বাতিল দলমতের সমর্থক অনুসারী হয় তাহলে হিজাব দিয়ে কেউ মুসলিম হবে না ।  ঈমান ঠিক থাকলে হিজাব না থাকলেও মুসলিমত্ব যাবে না বা দ্বীনের ক্ষতি হবে না । ইসলামের শুরুতে বর্তমান বোরকা ছিলো না কয়েক শত বছর পর তৈরি হয় যা নিরাপত্তা ও তাকওয়ার জন্য ভালো কিন্তু অপরিহার্য ফরজ নয়,,শরিয়ত সম্মত পোষাক ই তখন ছিলো যা ফরজ ও নির্দেশ হিসেবে  সুন্নাতুল ইসলাম।   শরিয়ত সম্মত পর্দা অবশ্যই ভালো  কিন্তু অতিপর্দা পর্দাহীনতার চেয়েও ইসলামের জন্য ক্ষতিকর এবং জীবনের জন্য ক্ষতিকর ।   পর্দার নামে অতিপর্দার অবরোধ আরোপ করে মা বোনদের লেখা পড়া বিকাশ রুদ্ধ করে জীবনের নায্য স্বাধীনতা ইচ্ছা অধিকার  হরণ করে জীবন ধ্বংস করে মিল্লাতকেই পংগু এবং দ্বীনকে কলংকিত ও

মতিন মন্নান বকতিয়ার সেনাফ্রড গংদের একে অন্যকে খুনের হুমকি তাদের উগ্রবাদী বিকারগ্রস্ত অসুস্থতাকে প্রমাণ করে -"মারুফ উদ্দিন"

ছবি
মতিন মন্নান বকতিয়ার সেনাফ্রড গংদের একে অন্যকে খুনের হুমকি তাদের উগ্রবাদী বিকারগ্রস্ত অসুস্থতাকে প্রমাণ করে ==================================== প্রত্যেকেরই ভিন্ন ভিন্ন দলমত করার স্বাধীনতা আছে। এগুলো নিয়ে কথা বলা বা লেখার কিছু নেই। কিন্তু যে কেউ ইসলামের নামে দল করে সুন্নী আকিদার কথা বলে ওঁয়াবীবাদী সালাফি শিয়াবাদী কুফরি মতবাদ প্রচার করবে এবং উগ্রবাদী বিষবাষ্প ছড়াবে সেটাকে ব্যক্তির স্বাধীনতা কিংবা দল করার অধিকার বললে ভুল হবে। খুন করাকে যেভাবে অধিকার স্বাধীনতা বলা যায় না তেমনি ইসলামের নাম ব্যবহার করে এদের মনগড়া অপব্যাখ্যা এবং সন্ত্রাসী উগ্রতাকে সুন্নী হিসেবে সাব্যস্ত করা যাবে না। এই বিষয়ে সবাইকে স্পষ্ট করার জন্যই আজকের এই লেখা। বিশুদ্ধ ও ভেজাল দুইটি বিপরীত শব্দ। এই দুইটির মধ্যকার বিপরীত বৈশিষ্ট্য বুঝানোর জন্য পৃথক শব্দের অবতারণা। বিশুদ্ধ জিনিসের কখনো কোন লেবাশ ধারনের প্রয়োজন হয় না বরং ভেজাল জিনিস সর্বদা লেবাশ নিয়েই চলে৷ সুন্নী আকিদা হল পবিত্র ইসলামের বিশুদ্ধ পূর্ণাঙ্গ হক আকিদা। এই নিয়ে কারো কোন সন্দেহ নেই। এক্ষেত্রে ভেজাল আকিদা সুন্নী আকিদার লেবাশ ধারনের অপচেষ্টা চালিয়ে থাকে। যাতে

ইসলাম ছাড়া সত্য নেই কিন্তু ইসলামের নামে অনেক ধোকা প্রতারণা মোনাফেকি ও মূর্খতা আছে -"আল্লামা ইমাম হায়াত আলাইহি রাহমা"

ছবি
ইসলাম ছাড়া সত্য নেই কিন্তু ইসলামের নামে অনেক ধোকা প্রতারণা মোনাফেকি ও মূর্খতা আছে । ইসলামের মূল বিষয় সকল বাতিল মতপথ থেকে মুক্ত থেকে কলেমার সত্য ও চেতনায় তথা ঈমান আকিদায় সঠিক ধারায় থাকা। ইসলামের ছদ্মবেশী বাতিল ফেরকা ও বস্তুবাদি মতবাদের অনুসারী এবং বাতিল জালিম অপশক্তির স্বৈরদস্যুতন্ত্র  মুলুকিয়তের সমর্থক হয়ে মুসলিম দাবি বিপরীত হয়ে যায় । ঈমান আকিদা হারিয়ে ভ্রষ্টতার শিকার হলে বাহ্যিক কোনো আমল দিয়ে মুসলিম দাবি করা যায় না । ঈমানী আকিদার ভিত্তিতেই মুসলিম হয় এরপর আমলের প্রশ্ন আসে। আল্লাহতাআলা ও তাঁর মহান রাসুল  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ঈমানী  আকিদায় বিশ্বাস না করে শুধু আল্লাহ রাসুল শব্দ উচ্চারণ করলেও ঈমানদার হওয়া যাবে না। আল্লাহতাআলার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহতাআলার নুর হিসেবে ঈমান রাখার সাথে জীবনের উর্ধে ভালোবাসা  ঈমানের মূল ও আল্লাহতাআলার সম্পর্ক। কেউ আল্লাহতাআলার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের মত মানুষ মনে করলে ঈমান থাকবে না । বাহ্যিক বস্তুবাদি দৃষ্টি ঈমান নয় ঈমানী আকিদার ভিত্তিতেই ঈমান । কাদিয়ানি ওয়াবি খারেজি সালাফি শিয়াবাদি মওদূদীবা

ইনসানিয়াত কারো শত্রু নয় বরং সবার আপন, নিজ জীবনেরই ভাষা -"মারুফ উদ্দিন"

ছবি
ইনসানিয়াত কারো শত্রু নয় বরং সবার আপন, নিজ জীবনেরই ভাষা । ▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄ ইনসানিয়াত যেহেতু মৌলিকভাবে সত্তাগত বিষয় সেহেতু ইনসানিয়াত সব মানুষের বিষয়; জীবনগত মর্ম অভিধান। সব মানুষ সত্তাগত দিক থেকে এক মানুষ। তাই মানুষ হিসেবে সবার পরিচয় এক অভিন্ন। অন্যদিকে মানবসত্তা বিবর্জিত ব্যক্তিকে আমরা অমানুষ বলি। এই অমানুষটাই খুন করে ডাকাতি করে অন্যের জীবনের স্বাধীনতাকে হরণ করাসহ সকল অন্যায় অপকর্মে লিপ্ত থাকে৷ মানুষ মানুষের আপন হবে এই কথা কি কেউ অস্বীকার করতে পারে? না, কখনোই তা পারে না। মানুষে মানুষে এই যে সম্পর্ক বন্ধন ভাতৃত্ব সেটিকে অক্ষুণ্ন রাখাই মানুষ হিসেবে মানবিক বৈশিষ্ট্যের অপরিহার্য দিক। আপনি যেই ধর্মেরই অনুসারী হোন না কেন, যেই আদর্শকেই লালন করেন না কেন তা কি আপনাকে মানুষ হিসেবে মানবিক বৈশিষ্ট্য গুনাবলী দৃষ্টি  নিয়ে চলার পথে বাধা সৃষ্টি করে নাকি আপনার মানবিক বিষয়গুলোকে শাণিত করে, বিকশিত করে? এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকেই খুঁজে নিতে হবে এবং অতঃপর তা গ্রহণ বা বর্জনের সিদ্ধান্তও আপনার। অধর্ম উগ্রবাদ-বিকৃত মতবাদ কিংবা অসৎ আদর্শকে লালন করলে আপনি অমানুষে পরিণত হবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিন্

আল্লামা ইমাম হায়াত ছাড়া এ যুগে আকিদা-আধ্যাত্মিক-রাজনৈতিক সবদিকে কলেমার ব্যাখ্যা ও দিশা যেমন নেই তেমনি কলেমা কারবালার আলোকধারায় সত্য ও মানবতার কার্যকরী রূপরেখা বাস্তবায়নের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সাংগঠনিক অসিলা নেই।-"আল্লামা আরেফ সারতাজ"

ছবি
সত্যের ইমামের দিশা ব্যতীত মিথ্যার আঁধার থেকে মুক্ত থাকার উপায় নেই এবং সত্যের আলোকে চলার পথ নেই। হাদিস শরীফে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে- যুগের ইমামের অনুসরণ ব্যতীত মূর্খতার উপর মৃত্যু হবে। من مات ولم يعرف امام زمناه مات ميتة الجاهلية (মুসলিম শরীফ ও মসনদে আহমদ শরীফ) আল্লামা ইমাম হায়াত ছাড়া এ যুগে আকিদা-আধ্যাত্মিক-রাজনৈতিক সবদিকে কলেমার ব্যাখ্যা ও দিশা যেমন নেই তেমনি কলেমা কারবালার আলোকধারায় সত্য ও মানবতার কার্যকরী রূপরেখা বাস্তবায়নের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সাংগঠনিক অসিলা নেই। আল্লামা ইমাম হায়াত ছাড়া এ যুগে কলেমার বিপরীত চেতনা ও মতবাদ এবং বিপরীত রাজনীতি মুলুকিয়তের ব্যাখ্যা নেই এবং সকল বাতিল জালিম অপশক্তির গ্রাস থেকে মুক্তির কোনো সংগ্রামে নেই। আল্লামা ইমাম হায়াত ঈমানী অস্তিত্ব ও মানবিক অস্তিত্ব রক্ষায় তথা সত্য ও মানবতার ধারা পূণরূদ্ধারে দিয়েছেন, নিকট অতীতে সারা দুনিয়ার সব পীর আলেম শিক্ষাবিদ সবাই মিলেও দিতে পারেন নি। বিদ্বেষ সংকীর্ণতা মুক্ত হয়ে স্বচ্ছ দৃষ্টিতে দেখলে বুঝে সত্যের ধারক হওয়া যাবে, না হয় আঁধারে নিমজ্জিত থাকতে হবে। #আল্লামা_আরেফ_সারতাজ সহ-সভাপতি, বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন এবং বি

আঁধার মূর্খতার ধারা নারী দিবস প্রসঙ্গে - বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব এর দৃষ্টি।

ছবি
আঁধার_মূর্খতার_ধারা_নারী_দিবস_প্রসঙ্গে - বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব (World humanity revolution) =============================== নারী বা পুরুষ এসব লিংগবাদি বস্তুবাদি পরিচয় কোনো মানুষের আসল পরিচয় মনে করা  মানুষ হিসেবে জীবনের পূর্ণাঙ্গতা অস্বীকার করা।   লিংগবাদি বস্তুবাদি ভাবধারায় নারী বা পুরুষ এসব পরিচয়কে তথা কোনো বস্তু বা লিংগ ইত্যাদিকে   অস্তিত্বের মূল মনে করা জীবনের সত্য অস্বীকার করে বস্তুবাদি মিথ্যার আঁধারে নিমজ্জিত হয়ে আত্মিক মৃত্যু বরন করা। মানব জীবন স্বীকার করলে জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধি করতে হবে এবং জীবনের অনেক দিক ও পূর্ণাঙ্গতা অস্বীকার করে কেবল কোন একটি দিককেই মূল মনে করে সে ভিত্তিতেই আত্মপরিচয় জীবন ধ্বংসাত্মক । জীবনের সত্য ভুলে ও জীবনের পূর্ণাঙ্গতা এবং বস্তুর উর্ধে মানবসত্তা ভূলে নিজেকে বস্তুবাদি মিথ্যা ও মূর্খতার আঁধার চেতনায় কেবল নারী বা কেবল পুরূষ বা কোনো প্রকার বস্তুবাদি জাতীয়তাবাদি মনে করা জীবনের সত্য ও জীবনের স্রষ্টার সম্পর্ক অস্বীকার করা, কারণ জীবন কোনো বস্তুর ভিত্তিতে নয়, জীবন কেবল জীবনের দয়াময় স্রষ্টার নামে ও স্রষ্টার প্রত্যক্ষ আলো মহান রেসালাতের আলোকধারায় চ

রাষ্ট্রশক্তির উপর বস্তুবাদের আধিপত্য মানবসত্তাকে বিলুপ্ত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখে ।-"মারুফ উদ্দিন"

ছবি
রাষ্ট্রশক্তির উপর বস্তুবাদের আধিপত্য মানবসত্তাকে বিলুপ্ত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখে ▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄ মানবসত্তার বিপরীত জড়বাদী সত্তা তথা বস্তুবাদী সত্তা। আলোর বিপরীতে যেমনিভাবে আঁধার রয়েছে, কল্যাণের বিপরীতে অকল্যাণ, ন্যায়ের বিপরীতে অন্যায় তেমনিভাবে আত্মা ও জীবনের বিপরীত হল এই বস্তুবাদী সত্তা। মূলত এই বৈপরীত্য ইনসান তথা মানুষ আর এন্টি ইনসান তথা বস্তুবাদী সত্তার মধ্যকার দ্বন্ধকে নির্দেশ করে। এই দ্বন্ধ মানুষ আর অমানুষের পার্থক্য নিরুপণে জ্ঞানগত দিক থেকে অপরিহার্য। আলো না থাকলে যেভাবে অন্ধকার কি তা বুঝা যাবে না সেভাবে ইনসানের সংজ্ঞা না থাকলে ইনসানি সত্তার বিপরীত বস্তুবাদী সত্তাকে বুঝা যাবে না। রুপক অর্থে, আলো কল্যাণকর এবং অন্ধকার ক্ষতিকর বিপর্যয়কর দিককে বুঝায়৷ তদরুপভাবে, মানবসত্তা জীবনের প্রাথমিক স্তরগত সত্য আর বস্তুবাদী সত্তা মিথ্যা আঁধারে হারিয়ে যাওয়া বিষাক্ত সত্তাকে বুঝায়। নিজেকে সত্তাগতভাবে চিনতে পারা মানুষের জন্য জ্ঞানগত স্তর থেকে একটি শুভ সূচনা এবং এখান থেকেই জীবনের বিকাশ শুরু হয়। অঙ্গ প্রত্যঙ্গ লিঙ্গ ভাষা বর্ণ অর্থ বিত্ত বর্ডার রাষ্ট্র সূর্য চন্দ্র ইত্যাদি দিয়ে

আসুন আওলাদে রাসুল ইমামে আহলে সুন্নাত হাফেজ আল্লামা সাইফুর রহমান নিজামী শাহ্‌ কি বলে শুনি

ছবি
আসুন আওলাদে রাসুল ইমামে আহলে সুন্নাত হাফেজ আল্লামা সাইফুর রহমান নিজামী শাহ্‌ কি বলে শুনি । https://youtu.be/TnNz9Ip11rI পবিত্র কোরআনুল করিম এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ তাফছিরে মাশাহিদুল ঈমানের প্রনেতা ও পবিত্র বোখারী শরীফের সহি ব্যাখ্যাগ্রন্থের প্রনেতা আগ্রাবাদের মহান মুর্শীদ কেবলা হাফেজ আল্লামা সৈয়দ সাইফুর রহমান নিজামী শাহ উপস্থিত থেকে ঈমান দ্বীন ইসলাম এর সত্যের সঠিক আলোচনা করেন । #ahle_sunnat_wal_jamat #imame_ahle_sunnot #allama_saifur_rahman_nijami My YouTube Channel - https://www.youtube.com/channel/MonoyaraTv2017 My Facebook Link - https://www.facebook.com/monir5252 My Twitter Link - https://twitter.com/MonoyaraZaman My Facebook Page Link - https://www.facebook.com/Monoyaratv.2017 My Gmail Id - www.Monoyarazaman@gmail.com My Google Plus Id - https://plus.google.com/105449381477525693582 My Yahoo Id - monirulzaman218@yahoo.com All Song , Nate Rasul , Bangla Waz - Mahfil , Fun Video

শ্রীলংকায় গির্জা এবং হোটেলে হামলায় শতাধিক মানুষকে নৃশংস মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ এর উদ্যোগে মানববন্ধন

ছবি
খুনী জংগিবাদি সন্ত্রাসী উগ্রবাদি গোষ্ঠী কর্তৃক শ্রীলংকায় গির্জা এবং হোটেলে হামলায় শতাধিক মানুষকে নৃশংস মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ এর উদ্যোগে মানববন্ধন। নির্দেশনায়: #আল্লামা_ইমাম_হায়াত (বস্তুর উর্ধ্বে মানবসত্তার প্রবক্তা ও বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবর্তক) সভাপতিত্ব: #আল্লামা_রায়হান_রাহবার মহাসচিব, বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন এবং বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব। স্থান: ঢাকা জাতীয় প্রেস Killing any human is killing whole mankind. Saving any human is saving whole mankind.-------ALLAMA IMAM HAYAT

মহান প্রিয় নবীকে মুমিন বলা কত টুকু সঙ্গত? -"Mafiqul Islam" ভাই

ছবি
মহান প্রিয় নবীকে মুমিন বলা কত টুকু সঙ্গত --------------------------------------------------------  গত কয়েকদিন আগে আইনুল হুদা সাহেবের ফেসবুক বক্তব্যের মুল শিরোনাম ছিল নবী মুমিন বা মুসলমান। যারা নবী কে মুমিন বা মুসলমান মানবেনা তাদেরকে অমুসলিম ঘোষনারও দাবী জানান তিনি।  তার ডকুমেন্টারী  অনেক ভিডিও আমি শেয়ারও করেছি। যাই হউক মুল প্রসঙ্গে আসিঃ   কুরআনে পাকে আল্লাহ তায়ালা মুমিনদেরকে কিভাবে সম্মোধন করেছেন দেখুন- ইয়া আয়্যুহাল্লাজিনা আমানু- তার অর্থ হল হে ইমানদারগণ। এখানে কারা মুমিন? যারা মহান প্রিয় নবীর উপর  পরিপুর্নভাবে বিশ্বাস করেছে নবীর সমস্ত ছিফাত সমুহকে স্বীকার করেছে( নবী হাজির নাজির, এলমে গায়েবের অধিকারী, নবী আল্লাহর নুর, নবী হায়াতুন্নবীসহ ইত্যাদি যাবতীয় সিফাত বা গুণ সমুহ)।  এখানে বলে রাখা প্রয়োজন যে আল্লাহ কে সবাইকে বিশ্বাস করে।হয়ত ভিন্ন নামে ডাকে। কেউ বা গড বা ইশ্বর যে যেভাবেই ডাকুক না কেন। তারা আল্লাহকেই বিশ্বাস করে। এমনকি আবু জাহেলও বিশ্বাস করত। কিন্ত তাই বলে আবু জাহেল কিন্ত ঈমানদার বা মুসলমান ছিলনা। তাহলে ঈমানদার হওয়ার পুর্বশর্ত হল নবীর প্রতি পরিপূর্ণভাবে ঈমান আনা বা বিশ্বাস ক

৭১ মুক্তিযুদ্ধ যে কারণ ও প্রেক্ষাপটে ই হোক কিন্তু যে চেতনার নামে চালিয়ে দেয়া হয়- সংবিধান মোতাবেক তা হচ্ছে- সমাজতন্ত্র বা মার্ক্সবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র, গণতন্ত্র বলা হলেও বাস্তবতা এ নামে একদলীয় বাকশালি ধারা যা এখনো কায়েম আছে।

ছবি
৭১ মুক্তিযুদ্ধ যে কারণ ও প্রেক্ষাপটে ই হোক কিন্তু যে চেতনার নামে চালিয়ে দেয়া হয়- সংবিধান মোতাবেক তা হচ্ছে-  সমাজতন্ত্র বা মার্ক্সবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র, গণতন্ত্র বলা হলেও বাস্তবতা এ নামে একদলীয়  বাকশালি ধারা যা এখনো কায়েম আছে। চেতনা আর রাষ্ট্র এক নয় এবং একাকার করে ফেলাও ঠিক নয়- জঘন্য অন্যায়, চেতনা যার যার রাষ্ট্র সবার। কারো কোনো বিশেষ চেতনা দর্শন রাষ্ট্র ও সবার উপর চাপিয়ে দেয়া অন্যায়, কারো ব্যক্তিগত বা দলীয় মতবাদের চেতনা ভিত্তিক না হলে রাষ্ট্র বিরোধী মনে করা স্বৈরদস্যুতান্ত্রিক জবরদস্তি পাশবিক চেতনা ও জীবনের স্বাধীনতা বিরোধী বর্বর মানসিকতা। রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা মানেই কারো কোনো বিশেষ মতবাদের চেতনা নয়। রাষ্ট্র একক দলের বা মতবাদের চেতনা ভিত্তিক করা রাষ্ট্র কুক্ষিগত ও পরাধীন করে ফেলা হয়। যিনি যে মতবাদের অনুসারী তিনি তা ধারণ করবেন সে মতবাদের চেতনা ধারণ করবেন কিন্তু ইসলামের নামে বা কোনো ধর্মের নামে বা রাষ্ট্রের নামে বিপরীত চেতনা চালিয়ে দেয়া ধ্বংসাত্মক মোনাফেকি। মানবিক রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা প্রশ্নের উর্ধে হলেও কোনো মতবাদের চেতনা প্রশ্নের উর্ধ

আপনি ইনসানিয়াত কেন গড়ে তুলবেন? - মারুফ উদ্দীন

ছবি
আপনি ইনসানিয়াত কেন গড়ে তুলবেন? ==================================       আপনি ইনসান তাই ইনসানিয়াত গড়ে তুলবেন। সূর্যের বৈশিষ্ট্যই হল আলো দেওয়া। তদরুপ ইনসান তার বৈশিষ্ট্যসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ স্বরুপ ইনসানিয়াত গড়বে সেটাই স্বাভাবিক। ইনসান ইনসানিয়াত গড়ে না তুললে এন্টি ইনসানিয়াত ইনসানের জীবনকে বিষাক্ত করে দিবে।         ইনসানিয়াত জীবন সত্যের কথা বলে। আপনি কি জীবনের সত্য নিয়ে বেঁচে থাকতে চান না? জীবনের প্রাথমিক সত্য বলতে জীবন বস্তুর উর্ধে স্রষ্টার নামে হওয়াকে বুঝায়৷ স্রষ্টার নামে হতে হলে স্রষ্টার আলোকে হতে হবে। আমরা ইনসান জীবনের এই পরম সত্য স্বীকার করি বিধায় আমাদেরকে ইনসানিয়াত গড়ে তুলতে হবে৷ জীবনের এই সত্য অস্বীকার করা মূলত নিজেকে ইনসান হিসেবে চিনতেই ব্যর্থ হওয়া। অন্যদিকে, যদি ইনসানিয়াত কায়েম না থাকে তবে জীবনের এই সত্যকে অস্বীকারকারী মিথ্যার ধারক বাহকরা জীবনকে স্রষ্টাবিরোধী করে ফেলার সব আয়োজন সম্পন্ন করে ফেলবে৷ তখন ইনসান হিসেবে নিজ জীবনের সত্যকে আমরা হারিয়ে ফেলব। তাই নিজ জীবনের সত্য নিয়ে চলার জন্য আমাদেরকে ইনসানিয়াত গড়ে তুলতে হবে।         ইনসানিয়াত জীবনের আত্মমালিকানা ও দুনিয়ার

"আল্লামা ইমাম হায়াত" যিনি ঈমান ও জীবনের এক অপরিহার্য দিশারী শিক্ষক ও বন্ধু -"আল্লামা রায়হান রাহবার"।

ছবি
"আল্লামা ইমাম হায়াত" যিনি ঈমান ও জীবনের এক অপরিহার্য দিশারী শিক্ষক ও বন্ধু -"আল্লামা রায়হান রাহবার"।  ================================== মাআবুদ আল্লাহতাআলা ও তাঁর মাহবুব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অশেষ রহমত ও এলেম আপনার উপর নাজিল হোক । আপনি দুনিয়ার মানুষকে ঈমান ও জীবনের দিশার ঠিকানার সন্ধান দিয়ে মিল্লাত ও মানবতার মুক্তির সাধনাকে এগিয়ে নিয়েছেন এবং মানবতার অশেষ উপকার করেছেন । এ যুগে যাঁকে না চিনলে যাঁর দিশা না পেলে বিশেষ অলীগন ও বিশেষ মুমিনগণ ছাড়া সমগ্র মিল্লাত ও সমগ্র মানবমন্ডলী কোনো না কোনো বাতিলের আঁধারে আবদ্ধ থেকে যাবে। হকের নামে বাতিলের সাথে একাকার করে ঈমান দ্বীনের মূল আকিদা প্রকৃত আদর্শ ও পূর্ণাঙ্গতা যখন ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছিল, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দ্বীন-মিল্লাত-মানবতার ধারা পতনের পর পতন ধ্বংসের পর ধ্বংস হচ্ছিল ক্রমাগত, তখন আল্লামা ইমাম হায়াত আলাইহি রাহমা কলেমা-দ্বীন-খেলাফত-ইনসানিয়াতের দিকদর্শন ও রূপরেখা পূণরূজ্জীবীত করেছেন এবং অব্যাহত পতন ও ধ্বংসের ধারা থেকে উদ্ধারের পথ দেখিয়েছেন, ধ্বংসের ধারার লাগাম টেনে ধরেছেন। আকিদা-আদর্শ-আধ্যাত্মিক-রা

আপনার অভ্যন্তরে ঘুমিয়ে থাকা মানবসত্তাকে জাগ্রত করুন? -"ইকবাল চিসতি"

ছবি
আপনার অভ্যন্তরে ঘুমিয়ে থাকা মানবসত্তাকে জাগ্রত করুন : সারা বিশ্বব্যাপী আজ মানবতাবোধ নীরবে কাঁদছে ! মানুষের মধ্য থেকে ইনসানিয়াত (মানবতাবোধ) মুছে গিয়ে হাইওয়ানিয়াত (পশুত্ব) জন্ম নিচ্ছে।  বস্তুবাদের ব্যাপক প্রসারণ তথা : জাতীয়তাবাদ ,ধর্মকে ব্যবহার করে ধর্মের নামে গোষ্ঠীবাদী অপরাজনীতি , মুলকিয়াত এতো বেশি প্রসারিত হচ্ছে যে পৃথিবীতে মানুষের মধ্যে এখন আর মনুষত্ব্যবোধ নেই বললেই চলে।  আসুন বহির্বিশ্বের দিকে তাকানোর আগে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট একটু দেখি।  বিগত কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশে যে হারে খুন ও ধর্ষণ, শিশু বলৎকার হচ্ছে ,তা রেকর্ড ছড়িয়ে গিয়েছে। এইসব ঘটনার অধিকাংশই ঘটছে মাদ্রাসাসমূহে, যেখানে এর বিপরীত হওয়ার কথা ছিল।  যখনই একটা মারাত্মক ঘটনা ঘটছে আমরা এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামছি।  সরকার বিচারের আশ্বাস দিচ্ছে , ব্যাস কিছুদিন পর ঠান্ডা।   আগের মতো আবারও খুন , আবারও শিশু বলৎকার , আবারও ধর্ষণ।  আবারও তনু নুসরাত আর মিতুর মত বোনদের নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়।  অথবা কওমি মোল্লার বলৎকারের শিকার হয়ে নির্মমভাবে জীবন দিতে হয় মাদ্রাসাতে কোরান শিখতে যাওয়া কোনো শিশু বা কিশোরকে।  কিন্তু এইসব এভাবে চ

উম্মতে আহমদি শব্দটির মধ্যেই ষড়যন্ত্র লুকায়িত, এই উম্মতের নাম উম্মতে মুহাম্মাদি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অন্য কোনো নাম মূল নাম ও ঈমানের কবুলিয়ত এবং ঈমানী অস্তিত্বের মূল সম্পর্ক হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়

ছবি
আকিদা নেই, এলেম নেই, আদর্শ নেই, পূর্ব পুরুষের নাম বেচে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, গোমরাহী জেহালতকে তরিকতের নামে চালিয়ে দেয়া, ঈমান দ্বীন ধ্বংসাত্মক আরেক ব্যবসা । উম্মতে আহমদি শব্দটির মধ্যেই ষড়যন্ত্র লুকায়িত, এই উম্মতের নাম উম্মতে মুহাম্মাদি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অন্য কোনো নাম মূল নাম ও ঈমানের কবুলিয়ত এবং ঈমানী অস্তিত্বের মূল সম্পর্ক হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়। ঈমানের কলেমা শরীফে যে নাম মোবারক আল্লাহতাআলা ঘোষণা করেছেন এবং যে নামের উপর ঈমান আনতে হয় সে নামে ই উম্মত ও মিল্লাতের পরিচিতি। পবিত্র কলেমায় আল্লাহতাআলার নির্ধারিত নাম মোবারক বাদ দিয়ে অন্য নাম সঠিক হলেও অন্য নামে কলেমা পড়লে ঈমান হবে না এবং দ্বীন বিকৃতি হবে। উল্লিখিত ফেরকা হকের ধারা নয় বরং হকের বাইরে চলে গেছে সেখানে এখন গোমরাহী জেহালত ও ভন্ডামি ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই নেই। (আল্লামা ইমাম হায়াতের বক্তব্য হতে সংকলিত) #আল্লামা_জাকের_আহসান (নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র) প্রধান সম্বয়ক, বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন এবং বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিলই ভাগ্য প্রক্রিয়া বরকতময় শবে বরাত পালিত হবে

ছবি
শবে বরাত ২১ এপ্রিলই! পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিলই পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। আজ (মঙ্গলবার) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিজ দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। শাবান মাসের চাঁদ দেখার বিষয়ে বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের সমন্বয়ে গঠিত ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ ঘোষণা দেন তিনি। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি গত ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সব কার্যালয়, মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হয় যে, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসেবে আগামী ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত উদযাপন হবে। এরপর দেশের আকাশে সেদিন চাঁদ দেখা গেছে এমন তথ্য প্রকাশিত হলে বিতর্ক দেখা দেয়। এমন অবস্থায় দফায় দফায় বৈঠক শেষে ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এখন এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আগের ঘোষণাই ঠিক রইল।

নুসরাত হত্যার লৌমোহুর্ষক বর্ণনা! নুসরাতের গলা থেকে পা পর্যন্ত ঢালা হয় ১ লিটার কেরোসিন!

ছবি
নুসরাতের গলা থেকে পা পর্যন্ত ঢালা হয় ১ লিটার কেরোসিন!                      ————————— অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার সঙ্গে দেখা করতে ৩ এপ্রিল যাঁরা কারাগারে গিয়েছিলেন, অধ্যক্ষ তাঁদের সবার কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এরপর তিনি মাদ্রাসাছাত্র ও ‘সিরাজ উদদৌলা সাহেবের মুক্তি পরিষদ’ নামে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক নুর উদ্দিন (২০), যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন ওরফে শামীম (২০) এবং আরেক ছাত্রের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। তিনি তাঁদের মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নুসরাতকে চাপ দিতে বলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি শাহাদাতের সঙ্গে একা কথা বলেন। তখন তিনি চাপে কাজ না হলে প্রয়োজনে নুসরাতকে হত্যার নির্দেশ দেন। জিজ্ঞাসাবাদে শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, আন্দোলন ও বোরকা কেনার জন্য সোনাগাজী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদ আলম তাদের ১০ হাজার টাকা এবং এক শিক্ষক ৫ হাজার টাকা দেন। এর মধ্যে ৫ হাজার টাকা তিনি নূর উদ্দিনকে দেন। আর তিনটি বোরকা কেনার জন্য তাঁর চাচাতো বোনের পালিত মেয়ে ও ওই মাদ্রাসার ছাত্রীকে দেন দুই হাজার টাকা। শাহাদাত হোসেন ঘটনার দিনের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ঘটনার দিন সকাল আটটার দিকে তিনি সোনাগাজী বাজারে আসেন। তখন ত

ভাগ্য প্রক্রিয়া ও বরকতময় শব–ই-বরাত " এর রজনীর -"আল্লামা ইমাম হায়াত" এর দিশা মোবারক।

ছবি
" ভাগ্য প্রক্রিয়া ও বরকতময় শব–ই-বরাত " ========================== -" ইমাম হায়াত আলাইহি রাহ্‌মা " অনেক কিছু নিয়ে মানুষের জীবন। অনেক বিষয়ের সাথে সংযুক্ত এ জীবনের সাফল্য কিংবা ব্যর্থতা, সূপরিনিতি কিংবা কূপরিনিতি। কিছু স্থায়ী ও মৌলিক বিষয় যা অপরিহার্য এবং জীবনের চূড়ান্ত পরিণতি নির্ণয় করে আর কিছু অস্থায়ী বিষয় যা প্রয়োজনীয় তবে অস্থায়ীভাবে সুখ বা দুঃখ বা এ দুয়ের মিশ্রিত অবস্থা তৈরি করে। আর তাই ভাগ্যের অবস্থা ও স্বরূপ আছে। স্থায়ী বা চূড়ান্ত সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য, অস্থায়ী বা চলমান সুখ-দুঃখ। জীবন সত্য বুঝতে পারা, সত্যের উৎসের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে সত্যের আলোকে নিজেকে আলোকিত করতে পারা, জীবনের উদ্দেশ্য ও মর্ম উপলব্ধি করতে পারা, জীবন তথা সময়কে অর্থপূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারা, জীবনের যথার্থ দিশারী খুঁজে পাওয়া ও যথার্থ জীবন সাথী লাভ করতে পারা, জীবনের দায়িত্ব-কর্তব্য বোঝার লক্ষ্যে উপনিত হওয়ার জন্য জ্ঞান, যোগ্যতা ও গুণাবলী অর্জন করতে পারা ও এর পরিপন্থী অবস্থা থেকে মুক্ত হতে পারা ইত্যাদি স্থায়ী, মৌলিক ও অপরিহার্য বিষয়গুলো হওয়া বা না হওয়া জীবনের আসল ভাগ্য বা চূড়ান্ত পরিচিতি ও পর